করোনার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসায় অনেক নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে ইসরায়েল। বাইরে মাস্ক পরার বাধ্যবাধকতা তুলে নিয়েছে দেশটি। আর অনেক দিন বন্ধ থাকার পর খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও। বেশির ভাগ মানুষকে টিকার আওতায় নিয়ে এসে মাস্ক পরার ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে সবার আগে ইসরায়েল এসব সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, খোলা জায়গায় বা রাস্তায় মাস্ক পরতে হবে না। কেবল আবদ্ধ পাবলিক প্লেস বা গণজমায়েতে মাস্ক পরতে হবে। তবে কারো নিজের বাসায় বা যেখানে বেশি মানুষ নেই, সেখানে মাস্ক পরার প্রয়োজন নেই। তবে বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় নাগরিকদের মাস্ক সঙ্গে রাখারও পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গতকাল ক্লাস শুরুর পরে রাজধানী জেরুজালেমের একটি স্কুলে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অনলাইনে কথা বলেছেন। তিনি বলেন, সরকার নিয়মিত সবকিছু পর্যবেক্ষণ করছে। তবে আবদ্ধ পাবলিক প্লেস, গণজমায়েত বা স্কুলের ক্লাসরুমে মাস্ক পরতে হবে। কারণ, এখনো করোনায় যায়নি।
শুরুতেই ডে-কেয়ার থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীকে গতকাল থেকে ক্লাসে ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে। দীর্ঘ বন্ধের পর স্বাভাবিক স্কুলে ফিরতে একটি কাঠামোবদ্ধ পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে ইসরায়েলের শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সেখানে বলা হয়েছে, সপ্তাহে ছয়দিন ক্লাস হবে। শিক্ষক-শিক্ষার্থী কারো চলাচলে কোনো বাধা থাকবে না। তবে মহামারীর বিরুদ্ধে লড়তে বা ভাইরাসটির সংক্রমণ রোধে পুরো প্রক্রিয়াটি নজরদারির মধ্যে থাকবে বলেও জানানো হয়েছে। স্কুলগুলোকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। যেমন ব্যক্তিগত সুরক্ষা বজায় রাখা, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, শ্রেণীকক্ষে মাস্ক পরা, কক্ষগুলোতে যথাযথ বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখা ও বিরতির সময়ও প্রয়োজনীয় দূরত্ব মেনে চলা।
শিক্ষার্থীদের স্কুলের খোলা জায়গায় মাস্ক পরার প্রয়োজন নেই। এমনকি খাওয়ার সময় বা জিম ক্লাস করার সময়ও মাস্ক বাধ্যতামূলক নয়। যেহেতু এ শিশুরা টিকার আওতায় আসেনি, তাই তাদের ক্ষেত্রে তুলনামূলক বেশি সচেতন থাকতে শিক্ষক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এছাড়া গত এক বছরের মানসিক, সামাজিক ও শিক্ষায় যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা পূরণে স্কুলগুলোর প্রধান শিক্ষকরা নিজেদের মতো করে ব্যবস্থা নিতে পারবেন বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এক্ষেত্রে প্রয়োজনে কোনো শিক্ষার্থীকে একাকী বা দলগতভাবে শিক্ষা দেয়া যাবে। এক চিঠিতে মন্ত্রণালয় বলেছে, করোনাভাইরাসের আতঙ্ক এখনো কাটেনি। কিন্তু এখন সবাইকে নিজের মতো করে পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেয়ার সুযোগ দেয়া উচিত।
- এসএসসির ফরম পূরণে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের শিক্ষা বোর্ডের হুঁশিয়ারি
- উচ্চমাধ্যমিকের সাধারণ ও মেধাবৃত্তির তালিকা প্রকাশ
- লকডাউন শেষে পরবর্তী ১০ দিন পর্যন্ত চলবে গুচ্ছ ভর্তি আবেদন
- দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন সরবরাহ করবে ইউজিসি
- এবারও এসএসসি-এইচএসসি নিয়ে অনিশ্চয়তা
- গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষার আবেদনের ফি বাড়নো হয়েছে
- কলেজ টিসির অনলাইন আবেদনের সময় বাড়ল
- বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি আবেদন শুরু
- মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার সামগ্রিক ফল পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ নেই
- ২৩ এপ্রিল গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদনের ফল প্রকাশ করা হবে
- আগামীকাল বৃহস্পতিবার শেষ হচ্ছে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদন গ্রহণ
- দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নিজস্ব স্থাপনায় থেকে পাঠদানের আদেশ
- উপবৃত্তি প্রাপ্তির জন্য মোবাইল ব্যাংকিং/অনলাইন ব্যাংকিং যেকোনো অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা যাবে
- ভারতে করোনায় দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা স্থগিত

0 Comments