প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন জানিয়েছেন নব জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক
বিদ্যালয়ের অবসরে যাওয়া ‘যোগ্যতাবিহীন’ শিক্ষকদের অবসরভাতা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
রবিবার (২৪ জানুয়ারি) সংসদের জাতীয় পার্টির শামীম হায়দার পাটোয়ারীর প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী বলেন,
জাতীয়কৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের যোগ্য শিক্ষকরা যথা সময়ে তাদের অবসরভাতা পাচ্ছে এবং
যোগ্যতাবিহীন’ শিক্ষকদের অবসরভাতা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
বর্তমান সরকার কৃতক তিন ধাপে নিবন্ধিত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৬ হাজার ১৯৩টি
জাতীয়করণ করে করা হয় । এসব বিদ্যালয়ের এক অংশ শিক্ষকদের কাঙ্ক্ষিত যোগ্যতা ছিল না।
ঐ সকল শিক্ষকদের তিন বছরের মধ্যে যোগ্যতা অর্জন করতে বলা হয়। এসব শিক্ষকের একটি
অংশ কাঙ্ক্ষিত যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ হন। যোগ্যতা অর্জন না করেই অনেকে অবসরেও গেছেন।
অবসরে যাওয়া শিক্ষকরা পেনশন-গ্র্যাচুয়িটি পাচ্ছেন না।
চট্টগ্রাম-১১ আসনের এম আবদুল লতিফ এমপির প্রশ্নের বিপরীতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা
প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যের উদ্বৃতি দিয়ে বলেন, “বর্তমানে সাত বছর তদুর্ধ্ব
স্বাক্ষরতার হার ৭৪.৪%। এর মধ্যে পুরুষ ৭৬.৫% এবং মহিলা ৭২.৩%। বর্তমানে ১৫ বছর তদুর্ধ্ব
স্বাক্ষরতার হার ৭৪.৭%। এর মধ্যে পুরুষ ৭৭.৪% এবং মহিলা ৭১.৯%।”
মন্ত্রী আরও জানান, নতুন বেতন স্কেল (২০১৫) অনুযায়ী অবসর ভাতার পরিমাণ কয়েকগুণ বেড়ে
যাওয়ায় বর্ধিত স্কেলে ভাতা প্রদানে সময় লেগে যায়। যার কারণে আবেদনের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি
পেতে থাকে। ২ ০১৮ সাল পর্যন্ত জমাকৃত সব আবেদন ইতোমধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে বলে তিনি জানান।
জাতীয় পার্টির আমিনুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানান, ২০০৯ সাল থেকে
২০২০ সাল পর্যন্ত ৯৯ হাজার ৪৯৪ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে চার হাজার ৩৭৫ কোটি টাকা অবসর
ভাতা দেয়া হয়েছে।
জাতীয় পার্টির লিয়াকত হোসেন খোকার প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জ
জেলায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় নামে একটি
বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।’

0 Comments