ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক ১১ এপ্রিল তারিখে এক ‘জরুরি বিজ্ঞপ্তি’ জারি করা হয়েছে। ঐ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে, দেশে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত যেসকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিজস্ব স্থাপনায় নেই, তাদের স্বল্প সময়ের মধ্যে নিজস্ব স্থাপনায় যেতে। তা না হলে ওই সব প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমতি বাতিলসহ আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সচিব তপন কুমার সরকার বলেন, এর মানে হলো এখন থেকে বোর্ডের অধীন কোনো স্কুল ও কলেজ ভাড়া বাড়িতে চলতে পারবে না। প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব জমিতে নিজস্ব স্থাপনা থাকতে হবে।
উল্লেখ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমতির প্রাথমিক শর্ত হিসেবে নিজস্ব জমিতে প্রতিষ্ঠানের স্থাপনার নির্দেশনা রয়েছে। এ ছাড়া নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জমির পরিমাণ, বিবরণ, খতিয়ান, নামজারি ও জমাখারিজ, ভূমি উন্নয়ন করের দাখিলা, জমির দলিল ও বাস্তব দখলের কাগজপত্র হালনাগাদ করে বোর্ডে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের অনুমতি, পাঠদান ও একাডেমিক স্বীকৃতি পাওয়ার পরও প্রতিষ্ঠানের নামে জমি এখনো নামজারি ও জমা খারিজ করা হয়নি। এ কারণে বিভিন্ন জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। নামজারি না হওয়ার কারণে কিছু অসাধু চক্রের হাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জমি বেহাত হওয়ার আশঙ্কা দেখা যাচ্ছে।
এসব বিষয় পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে একটি পরিদর্শন দল গঠন করা হয়েছে বলেও জানায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। এর আগে গত ১১ ফেব্রুয়ারি এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে চিঠি দিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
- উপবৃত্তি প্রাপ্তির জন্য মোবাইল ব্যাংকিং/অনলাইন ব্যাংকিং যেকোনো অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা যাবে
- ভারতে করোনায় দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা স্থগিত
- এসএসসির ফরম পূরণের সময় বাড়ছে
- ফরম পূরণের টাকা ফেরত পাচ্ছে আলিম পরীক্ষার্থীরা
- মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
- লকডাউনেও চলবে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ
- নীতিমালা জারি হলেও নতুন করে স্কুল-কলেজ এমপিওভুক্ত হচ্ছে না
- যেসব প্রতিষ্ঠান লক ডাউনের আওতামুক্ত
- শিক্ষক নিবন্ধন মৌখিক পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে
- ২ হাজার মুক্তিযোদ্ধা উত্তরাধিকারী শিক্ষার্থী পেলেন ভারতের বৃত্তি

0 Comments