সম্প্রতি চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে মাদরাসার শিশু শিক্ষার্থীর উপর শিক্ষকের নির্যাতনের ঘটনায়
ধারণ করা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর। মাদরাসায়
শিশু শিক্ষার্থীদের শাসন সম্পর্কে অধ্যক্ষ ও শিক্ষকদের সতর্ক করলেন হাইকোর্ট। গতকাল
রোববার বিচারপতি নাজমুল আহসান এবং বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিনের ডিভিশন বেঞ্চ এ
সতর্কাদেশ জারি করেন।
চট্টগ্রাম হাটহাজারি পৌর এলাকার ‘মারকাজুল কুরআন ইসলামি একাডেমি মাদরাসা’র হিফজ
বিভাগের শিক্ষার্থী ইয়াসিন ফরহাদকে (৮) মারধরের ঘটনায় আদালত এ আদেশ দেন। গত ৮ মার্চ
ওই মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা ইয়াহিয়া শিশুটিকে শাসন করেন। তাকে প্রহারের দৃশ্য ভিডিও
করে সেটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেয়া হয়। ৩৩ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়,
ইয়াসিনকে ঘাড় ধরে নিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষক ইয়াহহিয়া। কক্ষে নেয়ার পর তাকেবেধড়ক পেটানো
হচ্ছে।
শিশু নির্যাতনের ঘটনায় ধারণ করা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে প্রকাশ
হওয়ার পরে চট্টগ্রামের মাদরাসার শিশু নির্যাতনের ঘটনায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ
নেয়া হয়েছে তা জানাতে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) ও থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা (ওসিকে) ১১ মার্চ নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।
শিশু শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের ঘটনার পর তার বাবা-মা অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করতে
রাজি হননি। পরে পুলিশ বাদি হয়ে মামলা করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এরপর তাকে গ্রেফতার করা
হয় এবং মাদ্রাসা থেকেও বহিষ্কার করা হয়েছে। একইসঙ্গে শিশুটির গ্রামের বাড়িতে পর্যাপ্ত
নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। নির্যাতিত সেই মাদরাসা শিশু শিক্ষার্থীর পড়ালেখার দিকে
নজর রাখতে আদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।একইসঙ্গে দেশের সব মাদরাসার শিক্ষকদেরও এ বিষয়ে
সতর্ক থাকতে বলেছেন আদালত ।
আরও পড়ুনঃ
- উদ্যোক্তা ১০১ - এক্সেলারেটর কোর্স নিয়ে এল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
- মাদ্রাসার বাংলা, গণিত ও ইংরেজি খাতা দেখবে স্কুলশিক্ষকরা
- মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের আবার অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম শুরু
- প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে ঢাবির অনলাইন ভর্তিপ্রক্রিয়া রোববার পর্যন্ত বন্ধ
- মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য সুসংবাদ


0 Comments